প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০৭:১৭
বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলন ও আমাদের স্বাধীনতা
বাংলাদেশ বাণী, এস, এম শাহাদৎ হোসাইন, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি : আমি বাংলায় ভাসি, বাংলায় হাঁসি, বাংলায় মোদের গৌরব, বাংলায় মোদের স্বাধীনতার চেতনা ও মায়ের মুখের ভাষা। আমার  ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভূলিতে পারি। ২১শে ফেব্রুয়ারী মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। দিবসটির  তাৎপর্য  অপরিসীম।

জাতি শহীদদের প্রতি বিন¤্র শ্রদ্ধা জানিয়ে মিনারে পুস্প অর্পণের  মাধ্যমে গভীর ভালবাসার সাথে দিবসটি বিভিন্ন কর্মসুচীর মধ্য দিয়ে করে ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয়।। বাংলাদেশের ন্যায় বিশ্বের সকল দেশে ভাষা শহীদদের  প্রতি বিনম্্র  শ্রদ্ধার জানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালত করে।

রফিক সালাম জব্বার বরকতসহ নাম না জানা শহীদদের  রক্তের বিনিময়ে অর্জিত  এ বাংলা ভাষার সম্মান চির দিন অটুট  রাখার জন্য আমাদের নতুন প্রজন্মকে ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দের  ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস  সম্পর্কে  জানাতে হবে বা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রকৃত ইতিহাস আমাদের সন্তানদের মাঝে তুলে ধরা আমাদের সকলের দায়িত্ব।এ দায়িত্ব বোধ থেকেই আমাদের নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার চেতনায় আতœবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে সর্বদা সচেতন থাকতে হবে।

বাঙ্গালী জাতি মাথা নত করার জাতি না এ কথাটি পাকিস্তানের শাসক শ্রেণী  কখনই মনে করেনি। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ১৪ আগস্ট ভারতীয় উপমহাদেশ ভেঙ্গে পাকিস্তানের জন্ম হয়। পাকিস্তানের জাতির পিতা কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিনাহ এবং পাকিস্তানী শাসকরা সবাই উর্দুকে রাষ্ট্র ভাষা করার জন্য অনড় রইল এবং শাসক গোষ্টি  ঘোষনা করল  উর্দুই হবে  পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। তখন বাঙ্গালী জাতি এই ঘোষনাকে কেবল সাংস্কৃতিক  আঘাত বা শোষনের হাতিয়ার হিসেবে উপলব্ধ করেনি বরং এর মধ্যে অর্থনৈতিক শোষনের কালোছায়াও  অনুভব করেছিল।

সেই অনুভূতি থেকে মায়ের মুখের ভাষা বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবীতে ছাত্র, শিক্ষক, চিকিৎসক, কৃষকসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভাষা আন্দোলনে  রাস্তায় নেমে আসেন। বাঙ্গালী মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষ বুঝতে পেয়ে ছিল, রাষ্ট্র বা সরকারী ভাষা উর্দু হলে জীবনের বহু ক্ষেত্রে  তারা এবং সাধারণ মানুষ  অনেক বাঞ্চানার  শিকার হবে।

ইংরেজ বা বৃটিশ শাসনের অভিজ্ঞতা  থেকে  তারা ভালভাবে বুঝতে পেয়েছিল উপমহাদেশের  রাষ্ট্রভাষা ইংরেজী থাকার ফলে  যারা ইংরেজী ভাল জানতেন কেবল  তারাই  রাষ্ট্র শাসনের সঙ্গে যুক্ত হতেন, অন্যরা নয়। ভাষা আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) জনগণকে এই চেতনায়  উজ্জীবিত ও উৎকন্ঠিত করেছিল যে, পাকিস্তানের শাসক শ্রেণী পূর্ব পাকিস্তানকে  শোষনের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছে। পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান মিলে সে সময় জনসংখ্যা ছিল ৬ কোটি ৯০ লক্ষ।

পশ্চিম পাকিস্তানের বেশীর ভাগ মানুষ উর্দু বলতে পারলেও এ ভাষা কারো নিজের ভাষা ছিল না। অনেক ভাষায় কথা বলার সম্প্রদায় ছিল পাকিস্তানে। পেশোয়ারের মানুষের মাতৃভাষা ছিল পোশতু, সন্ধু অঞ্চলের ভাষা ছিল সিন্ধু,পাঞ্জাবে পাঞ্জাবী ভাষা, বেলুচিস্তানে বেলুচ ভাষা।

তারপরও যদি ধরে নেয়া যায় পশ্চিম পাকিস্তানের মানুষ উর্দুকে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে মানবে, তারা অনেকেই উর্দুতে কথা বলতে, পড়তে পারে তা হলেও পশ্চিম পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যা ২ কোটি ৫০ লক্ষ। আর পূর্ব পাকিস্তানের বাংলা ভাষায় কথা বলার মানুষের সংখ্যা ৪ কোটি ৪০ লক্ষ। এই হিসেবে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা হওয়া উচিত বাংলা। এরপরও কি করে পাকিস্তানের শাসকগোষ্টি ৫৮ শতাংশ মানুষের মুখের ভাষা বাংলাকে অস্বীকার করে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষনা দিতে পারল।

পাকিস্তানী শাসক গোষ্টির ঘোষনাকে কেন্দ্র করে ছাত্র,শিক্ষক,চিকিৎসক,কৃষকসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মায়ের মুখের ভাষা বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবীতে  বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে বুদ্ধিজীবি ও সংস্কৃতিবিদরা রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম  পরিষদ গঠন করে ১১ই মার্চ ধর্মঘট  আহবান করেছিলেন। ধর্মঘাটের সময় আন্দোলনের নেতা শওকত আলী, কাজী গোলাম মাহবুব, শামসুল হক, অলি আহাদ, শেখ মজিবুর রহমান, আব্দুল ওহাবকে গ্রেফতার করেন পুলিশ।

ছাত্র নেতা আব্দুল মতিন, আব্দুল মালেক, উকিল প্রমুখ ঢাকায় মিছিল নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকেন। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পসে সভা চলাকালে পুলিশ আক্রমণ করে। ছাত্র নেতা তোয়াহা পুলিশের রাইফেল কেড়ে নিতে গেলে তিনি মারাতœক আহত হন।

১২মার্চ থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলতে থাকে ধর্মঘট। ভাষা আন্দোলনের জন্য গঠিত হয় জাতীয় রাষ্ট্রভাষা কমিটি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা কমিটি, ভাষা আন্দোলনের প্রথম দিকে  কমিউনিস্ট পাটি ও তার ছাত্র ফ্রন্ট ছাত্র  ফেডারেশন  একটি বড় ও তাৎপর্যময় ভুমিকা পালন করেছিল। তাছাড়াও  ভাষা আন্দোলনের আরও দু’টি সংগঠন  নেতৃত্ব দিয়েছিল। সংগঠন  দু’টি  হ’ল  যুবলীগ ও ছাত্র ইউনিয়ন।

তবে  ছাত্র ইউনিয়ন  ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় ভুমিকা পালন করেছিল দেশ ব্যাপী। ফলে ভাষা আন্দোলন শুধু রাজধানী ঢাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বিক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে  সারা দেশে।‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ শ্লোগানটির তাৎপর্য সেই সময়ের সাধারণ মানুষ অনেকেই না বুঝলেও সর্বস্তরের  মানুষ  নিজ নিজ অনুভুতি  থেকে দাবী বা অধিকার আদায়ের জন্য ভাষা আন্দোলনে শরীক হয়েছিল। সংসদে পূর্ব পাকিস্তানের মূখ্যমন্ত্রী নুরুল আমিন বাঙ্গালীদের ভাষার দাবির বিরোধিতা করেন। তখন সংসদ সদস্য মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশসহ বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যগণ অধিবেশন ত্যাগ করে চলে আসেন।

তারা রাজ পথে এসে ভাষা আন্দোলনের মিছিলে যোগ দেন। শাসক শ্রেণী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দের ২১শে ফেব্রুয়ারী  ঢাকা  শহরে ১৪৪ ধারা জারি করেন, যাতে শহরে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  সমুহ  ধর্মঘট ও মিটিং মিছিল সমাবেশ করতে না পারে। ২১শে ফেব্রুয়ারী সকালে ১৪৪ ধারা উপেক্ষ করে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযের  কলা ভবনে ছাত্র জমায়েত  হয় এবং মাইকে ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’শ্লোগান ও বক্তব্য চলে। বিকাল ৩টার দিকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে  প্রাদেশিক সংসদ ভবন অভিমুখে বাংলা ভাষাকে  রাষ্ট্রভাষা করার দাবীতে  মিছিলটি  অগ্রসর হচ্ছিল।

সে সময়  ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রদের ব্যারাকের সামনে পুলিশ ও মিলিটারী  মিছিলটির উপর  গুলি বর্ষণ করে। এতে ছাত্রসহ কয়েকজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়। ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দের ২১শে ফেব্রুয়ারী পুলিশের গুলিতে  ছাত্র শহীদ হওয়ার পর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ব্যারাকে অবস্থান করা ছাত্ররা  শহীদদের  স্বরণে একটি শহীদ মিনার তৈরীর  সিদ্ধান্ত নেন এবং ২৩শে ফেব্রুয়ারী রাতে ঢাকায় প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ করেন। ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দে এই অস্থায়ী শহীদ মিনারটি সরিয়ে বড় করে শহীদ মিনার বানানো হয়।

শহীদ মিনারের একটি বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। দিন দিন শহীদ মিনারের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের গন্ডি পেরিয়ে সারা বিশ্বে শহীদ মিনার  নির্মিত হচ্ছে। নিউইয়কে জাতিসংর্ঘের সদর দপ্তরের সামনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে।

ভাস্কর্যটি ২০১৬ খ্রিস্টাব্দের ২১শে ফেব্রুয়ারী প্রথম প্রহরে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। ভাস্কর্যটির স্থাপতি শিল্পী মৃনাল কান্তি। ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারী মহান শহীদ দিবসকে  আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষনা করেন। ২০০০ খ্রিস্টাব্দ  থেকে ২১শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে বিশ্বব্যাপী।

এছাড়াও ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটকে ইউনেস্কো সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষনা করেন। বাহান্নোর ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙ্গালী জতির মাঝে মহান স্বাধীনতার বাসনা ও স্বাধীনতা সংগ্রামের শক্তি সঞ্চয় করেছে। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের বাঙ্গালী জাতির মুক্তির মহানায়ক, জাতির পিতা, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও স্বাধীনতার ঘোষক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে যা সাধারণ মানুষের মধ্যে মুক্তির সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রেরণা দিয়েছে।
 
সর্বশেষ সংবাদ
  • রোহিঙ্গা নির্যাতনের তদন্ত টিম এখন ঢাকায়বিএনপি-জামায়তের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে : ওবায়দুল কাদেরবঙ্গবন্ধুর জন্য জাতিসংঘে সদরদপ্তরে প্রথমবারের মতো জাতীয় শোক দিবসক্রস ফায়ারের মাঝেও মানব পাচার! থেমে নেই অস্ত্র ও ইয়াবা ব্যবসারোববার কবি শামসুর রাহমানের ১৩ তম মৃত্যুবার্ষিকীঢাকা-দিল্লীর সম্পর্ক এখন নতুন উচ্চতায় : বাংলাদেশ হাইকমিশনারছয় বছর বয়সেই ইসি'র স্মার্টকার্ডবঙ্গবন্ধু বাংলার ইতিহাস : স্বাধীনতা বাঙ্গালীর সোনালী অর্জন বঙ্গবন্ধুর খুনিদের সঙ্গে জিয়ার যোগাযোগ ছিল : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা হবে : আইনমন্ত্রী২২ আগস্ট শুরু হচ্ছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বাঙালীর বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সিক্ত হলেন জাতির জনক মাশরাফির অবসর নিয়ে দু'দিনের মধ্যেই আলোচনায় বসবে বিসিবিটুঙ্গীপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদনবঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক চেষ্টা চলছে : ওবায়দুল কাদেরবঙ্গবন্ধু হত্যার কুশীলবদের মুখোশ উন্মোচনে ‘কমিশন’ গঠনের দাবি জানালেন তথ্যমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ও সর্বস্তরের জনতার বিনম্র শ্রদ্ধাজাতীয় শোক দিবসে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী'র বাণীআজ জাতীয় শোক দিবস : টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের অপরাধটা কি? সব খুনিদের বিচার হোক
  • রোহিঙ্গা নির্যাতনের তদন্ত টিম এখন ঢাকায়বিএনপি-জামায়তের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে : ওবায়দুল কাদেরবঙ্গবন্ধুর জন্য জাতিসংঘে সদরদপ্তরে প্রথমবারের মতো জাতীয় শোক দিবসক্রস ফায়ারের মাঝেও মানব পাচার! থেমে নেই অস্ত্র ও ইয়াবা ব্যবসারোববার কবি শামসুর রাহমানের ১৩ তম মৃত্যুবার্ষিকীঢাকা-দিল্লীর সম্পর্ক এখন নতুন উচ্চতায় : বাংলাদেশ হাইকমিশনারছয় বছর বয়সেই ইসি'র স্মার্টকার্ডবঙ্গবন্ধু বাংলার ইতিহাস : স্বাধীনতা বাঙ্গালীর সোনালী অর্জন বঙ্গবন্ধুর খুনিদের সঙ্গে জিয়ার যোগাযোগ ছিল : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা হবে : আইনমন্ত্রী২২ আগস্ট শুরু হচ্ছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বাঙালীর বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সিক্ত হলেন জাতির জনক মাশরাফির অবসর নিয়ে দু'দিনের মধ্যেই আলোচনায় বসবে বিসিবিটুঙ্গীপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদনবঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক চেষ্টা চলছে : ওবায়দুল কাদেরবঙ্গবন্ধু হত্যার কুশীলবদের মুখোশ উন্মোচনে ‘কমিশন’ গঠনের দাবি জানালেন তথ্যমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ও সর্বস্তরের জনতার বিনম্র শ্রদ্ধাজাতীয় শোক দিবসে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী'র বাণীআজ জাতীয় শোক দিবস : টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের অপরাধটা কি? সব খুনিদের বিচার হোক
উপরে