প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর, ২০১৮ ০৩:১২:৩৬
“ধর্ম যার যার উৎসব সবার” একটি কুফরী শ্লোগান !
ডাঃ হাফেজ মাওলানা মোঃ সাইফুল্লাহ মানসুর : 'ধর্ম' হচ্ছে কোন কিছুর অবস্থা, গুণ বা বৈশিষ্ট্য। যেমনঃ পানির ধর্ম তারল্য, আগুনের ধর্ম উত্তাপ ; ঠিক তেমনিভাবে প্রত্যেক মানুষেরও ধর্ম আছে।আর তা হচ্ছে মনুষ্যত্ব বা বিশ্বাস। পানির ধর্ম যেমন পানি নিজে সৃষ্টি করেনি বা এমনি এমনি সৃষ্টি হয়নি; ঠিক তেমনি মানুষের ধর্মও মানুষ নিজে সৃষ্টি করেনি, করেছেন স্রষ্টা।

তাই বলা যায় ধর্ম হচ্ছে স্রষ্টা আর সৃষ্টির মধ্যে সম্পর্ক বা বিশ্বাস। এখানে কোন গলদ ডুকে গেলে যেমন বিশ্বাস থাকে না তেমনি ধর্মও থাকে না। বিশ্বে আজ অনেকগুলি ধর্ম রয়েছে প্রতিটি ধর্মের রয়েছে নিজস্ব কিছু বিশ্বাস ও আচার আচরণ। যে আচার আচরণই একটি ধর্ম থেকে  অন্য ধর্ম কে পৃথক করে দেয়।

যেমন মুসলমানেরা প্রতিদিন তার স্রষ্টার ডাকে সাড়া দিতে ৫ বার সালাত আদায় করে, বছরে ১ মাস রোজা পালন করে, সামার্থবানেরা বছরে ১ বার হজ্জ পালন করতে যায়, বছরে দুবার ঈদ উৎসব পালন করে ইত্যাদি এ কাজ গুলি যেমন অন্য ধর্মের জন্য নয়, এগুলি পালন করতে হলে আগে তাকে মুসলমান হতে হবে।

তেমনি অন্য ধর্মেরও কিছু রীতিনীতি আছে যেমন হিন্দুদের পূজা আর্চনা, খ্রিষ্টানদের বড়দিন ইত্যাদি এগুলোও মুসলমানের জন্য নয়। কারণ এগুলি একান্তই ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে যা এমনি এমনি হয় না। এখানে কেউ যদি সেক্যুলারিজমের দাবি করে  উৎসবের নাম দিয়ে এক ধর্মের বিশ্বাস বা আচরণ অন্য ধর্মে ডুকিয়ে দিতে চায় তা কখনই  ধর্মবিশ্বাস তা মেনে নিতে পারি না।

আর কেউ যদি ধর্মনিরপেক্ষতা দাবি করে এটি মেনে নিতে চাই তবে তার মধ্যে ধর্মের নিজস্ব স্বকীয়তা আর থাকে না তখন এটাকে বলা যায় ধর্মীয় বিশ্বাসের সাথে প্রতারণা করে গোজামিল দিয়ে চলা। এরকম গোজামিলের বিশ্বাস  অন্য ধর্ম মেনে নিতে পারলেও ইসলাম কখনো মেনে নিতে পারে না। ইসলাম তার নিজস্ব চিন্তা-চেতনা, আচার-আচরণ ও বিশ্বাস স্বমহিমায় টিকিয়ে রাখতে বদ্ধপরিকর।

এখানে কোন ছাড় দিতে রাজি নয়। ইসলামে  নিরপেক্ষ বা সেক্যুলার হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ, ঈমান ও ইসলাম হচ্ছে একক ও নিরঙ্কুশ বিষয়। এখানে অন্য কোনো ধর্ম বা বিশ্বাস মিশ্রণের ন্যূনতম সুযোগ নেই। এ ক্ষেত্রে আরো ক্লিয়ার হওয়ার জন্যে আমরা যদি ইসলামের দুই ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার পটভূমির দিকে তাকাই তাহলে বিষয়টি আমাদের সামনে আরো স্পষ্ট হয়ে যাবে। মদীনায় ইসলামপূর্বে আরব মুশরিকদের মধ্যে দু’টি উৎসব চালু ছিল।

নওরোয ও মেহেরজান নামে। যা সর্বজনীয় মেলা নামে স্বীকৃতি ছিল এখনকার হিন্দু ধর্মের প্রধান ধর্মীয় পূজা উৎসব ছিল না । সাহাবীগণ ঐ মেলা জাতীয় দুটি উৎসব পালন করতে চাইলেও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা পালনের অনুমতি দেননি। বরং এর থেকে উত্তম বিকল্প হিসেবে মুসলমানদের জন্য স্বতন্ত্র দুটি ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা উপহার দিয়েছেন।

এ থেকে এ সত্যটি অনুধাবন করা যায় যে যদি মুসলমানদের জন্য অন্যদের উৎসব পালন করার সুযোগ থাকতো তাহলে তিনি ওই উৎসব পালন করা থেকে সাহাবীদের বিরত করতেন না। এ ক্ষেত্রে আরেকটি উদাহরণ আমরা গ্রহণ করতে পারি। সেটি হচ্ছে ১০ মুহাররম বা আশুরার রোযা।

ইয়াহুদীদের সাথে যেন সামঞ্জস্যপূর্ণ বা সাদৃশ্যপূর্ণ না হয়ে যায় সেজন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশুরার রোযার সাথে আগে কিংবা পরে আরো একটি রোযা রাখতে বলেছেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভিন্ন ধর্ম বা ধর্মানুসারীদের সাথে সাদৃশ্য বা সামঞ্জস্য হওয়া থেকে বিরত থাকার নির্দেশ হাদীস শরীফে বার বার দেওয়া হয়েছে। ইয়াহুদীদের সাথে সামঞ্জস্য অবলম্বন না করতে কিংবা ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করতে বিভিন্নভাবে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। হাদীস শরীফে বেশ কিছু ক্ষেত্রে-
خالفوا المشركين  خالفوا اليهود
(ইয়াহুদীদের সঙ্গে ভিন্নতা অবলম্বন করো, মুশরিকদের কাজকর্মের সাথে ভিন্নতা অবলম্বন কর) বাক্যটি ধ্বনিত হয়েছে। নামাযে আহবানের ক্ষেত্রেও ইয়াহুদী, নাসারাদের ঘণ্টা বাজানো ও সিঙ্গায় ফুঁ দেয়ার প্রথা গ্রহণ না করা আজানের প্রচোলন করেছেন, অভিভাদনের ক্ষেত্রে হস্ত উঠানোর বিকল্প হিসাবে সালামকে গ্রহণ করেছেন, ইহুদী ও নাসারাদের সপ্তাহের পবিত্র দিন হিসেবে শনি, রবির পরিবর্তে মাসলমানদের জন্য জুমা বারকে উৎসবের দিন হিসেবে গ্রহণসহ এ ধরনের বহু ক্ষেত্র রয়েছে যেখানে ইসলামের কার্যকলাপকে অন্য ধর্মাবলম্বীদের থেকে পৃথক করা হয়েছে।

সেখানে “ধর্ম যার যার উৎসব সবার” বলে যারা চিৎকার করছেন তারা মূলত ইসলামী আক্বীদাহ বিশ্বাসের উপর আঘান হানার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এর মাধ্যমে মুসলমানদের ঈমানী বিশ্বাসের মধ্যে কুফরী বিশ্বাসকে ডুকিয়ে দেওয়ার পায়তারা করছে।

সুতরাং আকীদাগত বা বিশ্বাসগত দিক থেকে একজন একত্ববাদী মুসলিম-এর জন্য প্রকাশ্য শিরক পূজা-জাতীয় ধর্মাচারের সঙ্গে যুক্ত হওয়া, সমর্থন কর কিংবা সেটিকে নিজের উৎসবের বিষয় মনে করার কোনো সুযোগ ইসলামে নেই।

শিরকের ভয়াবহতা কত জঘন্য তা জানতে নিচের আয়তগুলোর দিকে চোখ বুলালেই বোঝা যায়। যেমন :
ক. আল্লাহ অবশ্যই তার সঙ্গে শিরকের গুনাহ ক্ষমা করবেন না। এ ছাড়া অন্যান্য যত গুনাহই হোক না কেন, তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করে দেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক করেছে সে তো এক বিরট মিথ্যা রচনা করেছে এবং কঠিন গুনাহের কাজ করেছে। (সূরা নিসা : আয়াত ৪৮)
খ. যদি তাঁরা (নবী রাসূলগণ) শিরক করতেন তবে অবশ্যই তাদের সমস্ত নেক আমল বরবাদ হয়ে যেত। (সূরা আনআ’ম : আয়াত ৮৮)
গ. (হে নবি) আপনার প্রতি এবং আপনার পূর্ববর্তীদের প্রতি ওহি করা হয়েছে যে, যদি আল্লাহর সঙ্গে অংশীদার স্থাপন করেন, তাহলে আপনার সব আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে এবং আপনি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবেন। (সূরা যুমার : আয়াত ৬৫)
ঘ. যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে কাউকে অংশীদার করল, আল্লাহ তার ওপর জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন। তার পরিণতি হবে জাহান্নাম। এ সব যালিমদের কেউই সাহায্যকারী নেই। (সূরা মায়িদা : আয়াত ৭২)
স্বয়ং আল্লাহ যেখানে শিরককে জঘন্যতম জুলুম বলে আখ্যা দিয়েছেন সেই শিরকযুক্ত মূর্তি-পূজায় একজন মুসলিম হিসেবে যুক্ত হওয়া, সমর্থন করা কিংবা সেটিকে নিজের উৎসবের বিষয় মনে করা ইসলাম কখোনই মেনে নিতে পারে না।

এ সম্পর্কে ইবন উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ ''যে ব্যক্তি বিজাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করে সে তাদেরই দলভুক্ত বলে গণ্য হবে'' আবু দাউদ ৪০৩১ (আলবানি হাসান বলেছেন)
উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলেনঃ ‘’তোমরা আল্লাহর দুশমনদের উৎসবে তাদের থেকে দূরে থাকো’’ বাইহাকি ১৯৩৩৪  তিনি আরও বলেন, মুশরিকদের উৎসবের দিনে তাদের উপাসনালয়ে প্রবেশ করো না।

আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) বলেনঃ ‘’যে ব্যক্তি অমুসলিমদের দেশে বসবাস করে, তাদের নওরোজ (নববর্ষ) ও উৎসব পালন করে এবং তাদের সাদৃশ্য গ্রহন করে এবং এই অবস্থায় মারা যায়, সেই ব্যক্তির তাদের সাথে হাশর হয়’’ বাইহাকি ১৯৩৩৫

সাবিত ইবন দাহহাক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাঃ)-এর যুগে এক ব্যক্তি মানত করে যে, ‘বুওয়ানা’ নামক স্থানে একটি উট যবেহ করবে। সে নবী (সাঃ)-এর নিকট এসে বলল, আমি ‘বুওয়ানা’ নামক স্থানে একটি উট কুরবানি করার মানত করেছি।

নবী (সাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, সেখানে কি জাহেলী যুগের কোনো মূর্তি রয়েছে? লোকেরা বলল, না। নবী (সাঃ) পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, সেখানে কি তাদের কোনো মেলা বসতো? লোকেরা বলল, না। অতঃপর নবী (সাঃ) বললেন, তোমার মানত পূর্ণ করতে পারো। কেননা আল্লাহর নাফরমানী মুলক কাজের জন্য মানত পূর্ণ করা জায়েয নয়। আবু দাউদ ৩৩১৫ (আলবানি হাদিসটিকে সহীহ বলেছেন)

এর থেকেই বুঝা যায় যেখানে মূর্তিপূজা হয় বা যেখানে আল্লাহর সাথে কুফরী করা হয় সে স্থানকে আল্লাহর রাসূল (সঃ) কি নজরে দেখতেন। সেই সাথে এটাও প্রমান হয় যে, যে স্লোগান মানুষকে কুফরীর দিকে অনুপ্রাণিত করে বা উৎসাহ তৈরী করে সে স্লোগানও ইসলাম কুফরী বলে মনে করে।

তবে এক ধর্মের সাথে অপর ধর্মের অনুসারীদের সহাবস্থান এবং অন্য ধর্মের অনুসারীদের আপন আপন পূজা-আরাধনা নির্বিঘ্নে পালন করতে সহযোগিতার বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত পরিষ্কার। ইসলাম এতে পূর্ণ সমর্থন দেয় ও দায়িত্ব গ্রহণ করে। ইসলামের স্পষ্ট নীতি হচ্ছে, যে কোনো ধর্মাবলম্বী নিজস্ব গন্ডির মধ্যে তার ধর্ম পালন করতে পারবে।

নিজস্ব পরিধির মধ্যে তার ধর্ম পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা তার রয়েছে। ইসলাম এক্ষেত্রে কোনো প্রকার অসহযোগিতা ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।

বরং তাদের নিজস্ব গন্ডির ভেতরে থেকে এগুলো পালন করার জন্য ইসলামী সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও দেয়া হয়েছে ইসলামী খেলাফতের সময়গুলোতে। হযরত উমর রা. তাঁর শাসনামলে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের كنيسة  (কানীসা) বানানোর সুযোগও দিয়েছেন। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, প্রত্যেক ধর্মের নিজস্ব।

এ উপলক্ষে আয়োজিত উৎসব ও আনন্দও তাদের নিজস্ব। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের অন্যদের ধর্মীয় কাজে যোগ দেওয়া, সেগুলোকে পছন্দ করা, সে উৎসবকে নিজের উৎসব মনে করার কোনো একটি বিষয়ই ইসলামী শরীয়ত কর্তৃক সমর্থিত নয়।

সুতরাং মুসলিমদের উচিৎ একমাত্র তাদের নিজেদের ধর্মীয় উৎসব পালন করা আর অমুসলিমদের রীতিনীতি ও ধর্মীয় উৎসব বর্জন করা। মহান আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর রাসুল (সাঃ)-এর মাধ্যমে যা কিছু এসেছে তাতেই আনন্দ লাভ করা, শুকরিয়া আদায় করা একজন মুমিনের কর্তব্য। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ ‘’বল-আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়ার বদৌলতে (যা এসেছে), এজন্য তারা আনন্দিত হোক’’।(সূরা ইসরা- ১০/৫৮) 

লেখক খতিব, থুকড়া বায়তুস সালাম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, ডুমুরিয়া, খুলনা।
 
সর্বশেষ সংবাদ
  • নাজমুল হুদার আপিল খারিজ করে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশঐক্যফ্রন্টে ফাঁটল ! তারেক জিয়া মুল নেতৃত্বে ড. কামাল কর্তৃত্বহীনভারতের পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে ঘূর্ণিঝড় গাজা'র আঘাতে মৃতের সংখ্যা ৩৩ জনতারেকের ভিডিও কনফারেন্সের বিষয়ে আইন পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে ইসি কমিশন চায় না নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হোক : সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রতি ইসিনয়া পল্টনে পুলিশের ওপর অতর্কিত আক্রমণ ছিল পূর্ব পরিকল্পিত : ডিএমপি কমিশনার জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৭-১০ দিন আগে মাঠে সেনা মোতায়েন থাকবে : ইসি সচিবঢাকা টেস্ট : জিম্বাবুয়েকে ২১৮ রানে বিধ্বস্ত করলো স্বাগতিক বাংলাদেশনির্বাচন পেছানোর আর সুযোগ নেই : ইসি সচিবকোন প্রার্থী যেন বঞ্চিত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে : সিইসিঢাকা টেস্ট : জয়ের জন্য বাংলাদেশের দরকার ৮ উইকেট দলীয় সরকারের অধীনে থেকে এবারের নির্বাচন ইতিহাস সৃষ্টি করবে : সিইসিজাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ পেছানোর সিদ্ধান্ত আজনতুন রাজনৈতিক জোট ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবেজাতীয় সংসদ নির্বাচনে আ’লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রথম দিনে ১৭শ’ সংগ্রহ ১৪ নভেম্বর মধ্যে নির্বাচনের প্রার্থীদের আগাম প্রচার সামগ্রী অপসারণের নির্দেশ ইসি’রইউপি সদস্য ও এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ গণগ্রেফতার : ডিবি সদস্য আহত হওয়ায় পুরুষ শূন্য ঝিকরগাছার মাটিকোমরা গ্রামআজ থেকে আ’লীগের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরুরাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতানৈক্য-মতবিরোধ থাকলে রাজনৈতিকভাবে মীমাংসার আহবান সিইসি’র আগামী ২৩ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ
  • নাজমুল হুদার আপিল খারিজ করে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশঐক্যফ্রন্টে ফাঁটল ! তারেক জিয়া মুল নেতৃত্বে ড. কামাল কর্তৃত্বহীনভারতের পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে ঘূর্ণিঝড় গাজা'র আঘাতে মৃতের সংখ্যা ৩৩ জনতারেকের ভিডিও কনফারেন্সের বিষয়ে আইন পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে ইসি কমিশন চায় না নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হোক : সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রতি ইসিনয়া পল্টনে পুলিশের ওপর অতর্কিত আক্রমণ ছিল পূর্ব পরিকল্পিত : ডিএমপি কমিশনার জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৭-১০ দিন আগে মাঠে সেনা মোতায়েন থাকবে : ইসি সচিবঢাকা টেস্ট : জিম্বাবুয়েকে ২১৮ রানে বিধ্বস্ত করলো স্বাগতিক বাংলাদেশনির্বাচন পেছানোর আর সুযোগ নেই : ইসি সচিবকোন প্রার্থী যেন বঞ্চিত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে : সিইসিঢাকা টেস্ট : জয়ের জন্য বাংলাদেশের দরকার ৮ উইকেট দলীয় সরকারের অধীনে থেকে এবারের নির্বাচন ইতিহাস সৃষ্টি করবে : সিইসিজাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ পেছানোর সিদ্ধান্ত আজনতুন রাজনৈতিক জোট ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবেজাতীয় সংসদ নির্বাচনে আ’লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রথম দিনে ১৭শ’ সংগ্রহ ১৪ নভেম্বর মধ্যে নির্বাচনের প্রার্থীদের আগাম প্রচার সামগ্রী অপসারণের নির্দেশ ইসি’রইউপি সদস্য ও এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ গণগ্রেফতার : ডিবি সদস্য আহত হওয়ায় পুরুষ শূন্য ঝিকরগাছার মাটিকোমরা গ্রামআজ থেকে আ’লীগের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরুরাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতানৈক্য-মতবিরোধ থাকলে রাজনৈতিকভাবে মীমাংসার আহবান সিইসি’র আগামী ২৩ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ
উপরে