প্রকাশ : ১২ আগস্ট, ২০১৭ ০২:২৯:৩১
শিশু ও নারী নির্যাতকদের কঠোরভাবে দমন করতে হবে
বাংলাদেশ বাণী, ঢাকা : শিশু ও নারী নির্যাতনের একটি ঘটনার বিহ্বলতা কাটাতে না কাটাতেই আমাদের চোখে-কানে বিষ ঢেলে দিচ্ছে অন্য একটি ঘটনা। সাম্প্রতিক সময়ে শিশু ও নারী নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়ে গেছে। ধর্ষণের পর হত্যা যেন ধর্ষকদের হিংসা চরিতার্থের আরও একটি পদ্ধতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ প্রায় সারাদেশে শিশু ও নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে।

কোনো কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে পূর্বপরিকল্পিত উপায়ে প্রলোভনসহ নানা ধরনের ফাঁদ পেতে। কোনো কোনো নারী ধর্ষণের কয়েকটি ঘটনায় সমাজের বিত্তবান প্রভাবশালীরা জড়িত থাকে। তবে আশার কথা হচ্ছে, ধর্ষণ বিষয়ে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির কিছুটা হলেও পরিবর্তন হয়েছে।

আগে সমাজ বা লোকলজ্জার ভয়ে ধর্ষণের শিকার হওয়া নারীটি বা তার পরিবার আইনের আশ্রয় নিতে এগিয়ে আসত না। এখন সে চিত্র পালটে গেছে। সমাজবিজ্ঞানীরা বারবার বলছেন, ধর্ষণের শিকার হওয়া অন্যান্য দুর্ঘটনার মতোই একটি ঘটনা। যে ধর্ষণের শিকার হয়, তার কোনো অপরাধ থাকে না। তারপরও ধর্ষণের শিকার হওয়া নারীদের কেউ কেউ লজ্জার হাত থেকে বাঁচতে আত্মহননের পথ বেছে নেয়, যা কখনও গ্রহণযোগ্য নয়। ধর্ষিতাকে আইনগত সাহায্য-সহযোগিতার ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন এসেছে, যা ইতিবাচক ফলাফল ঘটাবে বলে মনে করছেন সমাজবিশ্লেষকরা।

সম্প্রতি এক প্রতিবেদন থেকে শিশুর প্রতি পাশবিকতার যে চিত্র পাওয়া যায়, তা যে কোনো সংবেদনশীল মানুষকে ব্যথিত ও উদ্বিগ্ন করবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছর ৩৫২টি শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবেদনে পাওয়া পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, যত দিন যাচ্ছে, শিশু ধর্ষণের ঘটনা তত বাড়ছে।

২০১১ সালে শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল ৮৬টি, পরের বছর তা দাঁড়িয়েছে ১৭০টিতে। ২০১৪ সালে বেড়ে হয়েছে ১৯৯টি। পরের বছর শিশু ধর্ষণের সংখ্যা ছিল ৫২১। গত বছর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০১টিতে। প্রত্যাশিত ছিল শিশু ধর্ষণের ঘটনা কমে আসার, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক সত্যটি হচ্ছে তা বাড়ছে। শিশু ও নারী নির্যাতনের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হওয়াকে এর জন্য দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান।

সমাজের বিশিষ্টজনরা বলছেন রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন, পেশিশক্তি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ফলে সমাজে বখাটেদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। এতে ধর্ষণ, শিশু ধর্ষণ, গণধর্ষণ ও ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা বাড়ছে।

সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে শিশু ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সমাজের সকল অংশকে এগিয়ে আসতে হবে। এতে ব্যর্থ হলে সমাজে এর দীর্ঘস্থায়ী এবং মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কাজেই শিশু ও নারী নির্যাতকদের কঠোরভাবে দমন করতে হবে। আইনের যথাযথ প্রায়োগিক ইতিবাচকতায় ধর্ষণ ঘটনার প্রত্যেককে শাস্তি দিতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো প্রকার শৈথিল্য থাকা চলবে না বলে আমরা মনে করছি ।
 
সর্বশেষ সংবাদ
  • ২১ আগষ্টসহ বার বার এই দেশকে নেতৃত্বশূন্য করতে চেয়েছিল ওরা...!২১ আগষ্টের জড়িতরা এখন কোথায়? বর্বরতম গ্রেনেড হামলার দিন পুলিশের ছত্রছায়ায় প্রাসাদে ঘুমাচ্ছেন নাফ সিমান্তের অধরা ইয়াবা গডফাদাররা !রোহিঙ্গা নির্যাতনের তদন্ত টিম এখন ঢাকায়বিএনপি-জামায়তের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে : ওবায়দুল কাদেরবঙ্গবন্ধুর জন্য জাতিসংঘে সদরদপ্তরে প্রথমবারের মতো জাতীয় শোক দিবসক্রস ফায়ারের মাঝেও মানব পাচার! থেমে নেই অস্ত্র ও ইয়াবা ব্যবসারোববার কবি শামসুর রাহমানের ১৩ তম মৃত্যুবার্ষিকীঢাকা-দিল্লীর সম্পর্ক এখন নতুন উচ্চতায় : বাংলাদেশ হাইকমিশনারছয় বছর বয়সেই ইসি'র স্মার্টকার্ডবঙ্গবন্ধু বাংলার ইতিহাস : স্বাধীনতা বাঙ্গালীর সোনালী অর্জন বঙ্গবন্ধুর খুনিদের সঙ্গে জিয়ার যোগাযোগ ছিল : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা হবে : আইনমন্ত্রী২২ আগস্ট শুরু হচ্ছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বাঙালীর বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সিক্ত হলেন জাতির জনক মাশরাফির অবসর নিয়ে দু'দিনের মধ্যেই আলোচনায় বসবে বিসিবিটুঙ্গীপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদনবঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক চেষ্টা চলছে : ওবায়দুল কাদেরবঙ্গবন্ধু হত্যার কুশীলবদের মুখোশ উন্মোচনে ‘কমিশন’ গঠনের দাবি জানালেন তথ্যমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ও সর্বস্তরের জনতার বিনম্র শ্রদ্ধা
  • ২১ আগষ্টসহ বার বার এই দেশকে নেতৃত্বশূন্য করতে চেয়েছিল ওরা...!২১ আগষ্টের জড়িতরা এখন কোথায়? বর্বরতম গ্রেনেড হামলার দিন পুলিশের ছত্রছায়ায় প্রাসাদে ঘুমাচ্ছেন নাফ সিমান্তের অধরা ইয়াবা গডফাদাররা !রোহিঙ্গা নির্যাতনের তদন্ত টিম এখন ঢাকায়বিএনপি-জামায়তের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে : ওবায়দুল কাদেরবঙ্গবন্ধুর জন্য জাতিসংঘে সদরদপ্তরে প্রথমবারের মতো জাতীয় শোক দিবসক্রস ফায়ারের মাঝেও মানব পাচার! থেমে নেই অস্ত্র ও ইয়াবা ব্যবসারোববার কবি শামসুর রাহমানের ১৩ তম মৃত্যুবার্ষিকীঢাকা-দিল্লীর সম্পর্ক এখন নতুন উচ্চতায় : বাংলাদেশ হাইকমিশনারছয় বছর বয়সেই ইসি'র স্মার্টকার্ডবঙ্গবন্ধু বাংলার ইতিহাস : স্বাধীনতা বাঙ্গালীর সোনালী অর্জন বঙ্গবন্ধুর খুনিদের সঙ্গে জিয়ার যোগাযোগ ছিল : প্রধানমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা হবে : আইনমন্ত্রী২২ আগস্ট শুরু হচ্ছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বাঙালীর বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সিক্ত হলেন জাতির জনক মাশরাফির অবসর নিয়ে দু'দিনের মধ্যেই আলোচনায় বসবে বিসিবিটুঙ্গীপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদনবঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক চেষ্টা চলছে : ওবায়দুল কাদেরবঙ্গবন্ধু হত্যার কুশীলবদের মুখোশ উন্মোচনে ‘কমিশন’ গঠনের দাবি জানালেন তথ্যমন্ত্রীবঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ও সর্বস্তরের জনতার বিনম্র শ্রদ্ধা
উপরে